নিখোঁজের দুইদিন পর মাদরাসাছাত্রের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় নিখোঁজের দুইদিন পর মাদরাসাছাত্রের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর আলফাডাঙ্গা উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের চর চান্দড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ছাত্রের নাম আমির হামজা (১৩)। সে আলফাডাঙ্গা সদর ইউনিয়নের শুকুরহাটা গ্রামের সায়েম উদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে এবং গোপালপুর ইউনিয়নের চান্দড়া নূরানী তালিমুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হেফজখানার ছাত্র।
পুলিশ জানায়, রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে মাদরাসা থেকে বাহিরে যায় আমির হামজা। মাদরাসা ও বাড়িতে না যাওয়ায় পরিবারের সদস্যরা সারারাত খোঁজাখুঁজি করে। পরদিনও না পেয়ে তার বাবা সায়েম বিশ্বাস সোমবার সন্ধ্যায় আলফাডাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর চর চান্দড়া গ্রামের কামাল মোল্যার বাড়ির পাশের একটি পুকুরের মধ্যে বস্তা থেকে দুর্গন্ধ বের হলে এলাকাবাসীর সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বস্তা খুলে অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে। আমির হামজার বাবা সেখানে পৌঁছে ছেলের লাশ শনাক্ত করেন।
চান্দড়া নূরানী তালিমুল কুরআন মাদরাসা ও এতিমখানার হেফজখানার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা মো. আমিনউল্লাহ বলেন, রোববার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে আমির হামজা বের হয়ে যায়। পরে বাড়িতে খবর নিয়ে জানা যায় সে বাড়িতে যায়নি। আমরা অনেক স্থানে খবর নিয়েছি। তাদের পরিবারের সহায়তায় দুই দিন এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর শুনতে পেলাম চর চান্দড়া এলাকায় একটি পুকুর থেকে আমির হামজার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ছেলেটি অনেক ভদ্র ছিল।
আলফাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহজালাল আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমির হাজমা নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে রাতেই থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার ভোরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন করতে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।
মাদ্রাসা #ছাত্র #লাশ #লাইভবাংলা