সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে সজ্জিত প্রায় ২০০ সদস্যের একটি সশস্ত্র বাহিনীর তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে লুট হওয়া কিছু অস্ত্র তাদের হাতে পৌঁছে, যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র।


অভিযোগ রয়েছে, নিলক্ষা, মির্জারচরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলের অপরাধীরা এই চক্রে যুক্ত হয়ে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এতে ভয়াবহ নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়ে মির্জারচর ইউনিয়নের শতাধিক বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই কার্যক্রমের প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেকেই হামলার শিকার হয়েছেন। ফলে পুরো জনপদের মানুষ একপ্রকার আতঙ্ক ও জিম্মি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।


স্থানীয়ভাবে কয়েকজনকে এই চক্রের নেতৃত্ব ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মিন্টু কমিশনার, আফজাল মেম্বার, নূরুল ইসলামকে মূল হোতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আবিদ হাসান রুবেল, ঘোড়া কামাল, আজান চৌধুরী, আবু নূর, আশরাফুল হক, রাতুল হাসানসহ আরও অনেকে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে।


স্থানীয় সূত্র বলছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের পাশাপাশি এই চক্র নৌপথ ব্যবহার করে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসাও পরিচালনা করছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।


এ অবস্থায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।