সর্বশেষ
‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।বাংলাদেশে পেপ্যাল সার্ভিস চালু নিয়ে আলোচনা, কী সুবিধা আর কী ঝুঁকিমধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরানের পাশে বাংলাদেশ, জরুরি ঔষধ সামগ্রী হস্তান্তর।ভারতের মানুষ আমেরিকায় আসে শুধু সন্তান জন্ম দিতে: ট্রাম্পপঞ্চগড়ে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ৮ ঘণ্টা পর দুই শিক্ষার্থীকে ফেরত এনেছে বিজিবি।৬৬০পিস ইয়াবা সহ বিএনপি নেতা সোনামিয়া গ্রেফতার।৬০০ পিস ইয়াবা সহো বিএনপি নেতা সোনামিয়া আটক।‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।বাংলাদেশে পেপ্যাল সার্ভিস চালু নিয়ে আলোচনা, কী সুবিধা আর কী ঝুঁকিমধ্যপ্রাচ্য সংকটে ইরানের পাশে বাংলাদেশ, জরুরি ঔষধ সামগ্রী হস্তান্তর।ভারতের মানুষ আমেরিকায় আসে শুধু সন্তান জন্ম দিতে: ট্রাম্পপঞ্চগড়ে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার ৮ ঘণ্টা পর দুই শিক্ষার্থীকে ফেরত এনেছে বিজিবি।৬৬০পিস ইয়াবা সহ বিএনপি নেতা সোনামিয়া গ্রেফতার।৬০০ পিস ইয়াবা সহো বিএনপি নেতা সোনামিয়া আটক।
Live Bangla Logo

নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।

প্রকাশিত: ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
নরসিংদীর রায়পুরার দুর্গম এলাকায় গঠিত হয়েছে অস্ত্র সজ্জিত সন্ত্রাসী বাহিনী।

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলে স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রে সজ্জিত প্রায় ২০০ সদস্যের একটি সশস্ত্র বাহিনীর তৎপরতার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছ থেকে লুট হওয়া কিছু অস্ত্র তাদের হাতে পৌঁছে, যার ভিত্তিতে গড়ে ওঠে একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ চক্র।


অভিযোগ রয়েছে, নিলক্ষা, মির্জারচরসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলের অপরাধীরা এই চক্রে যুক্ত হয়ে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। এতে ভয়াবহ নদীভাঙনের সৃষ্টি হয়ে মির্জারচর ইউনিয়নের শতাধিক বসতবাড়ি, ফসলি জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।


স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই কার্যক্রমের প্রতিবাদ করতে গিয়ে অনেকেই হামলার শিকার হয়েছেন। ফলে পুরো জনপদের মানুষ একপ্রকার আতঙ্ক ও জিম্মি অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন।


স্থানীয়ভাবে কয়েকজনকে এই চক্রের নেতৃত্ব ও পরিচালনার সঙ্গে জড়িত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মিন্টু কমিশনার, আফজাল মেম্বার, নূরুল ইসলামকে মূল হোতা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণে আবিদ হাসান রুবেল, ঘোড়া কামাল, আজান চৌধুরী, আবু নূর, আশরাফুল হক, রাতুল হাসানসহ আরও অনেকে জড়িত বলে দাবি করা হয়েছে।


স্থানীয় সূত্র বলছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের পাশাপাশি এই চক্র নৌপথ ব্যবহার করে মাদক ও অস্ত্র ব্যবসাও পরিচালনা করছে, যা পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে।


এ অবস্থায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর অভিযান ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।