সর্বশেষ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা ছাত্রদের স্মরণে পালিত হবে ‘মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে-২০২৬’জুলাই নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করুন, প্রয়োজনে নিজের রক্ত বিক্রি করে টাকা দেবো: তাজুল ইসলামবিএনপির ইতিহাস জনগণের সঙ্গে প্রতারণার ইতিহাস: নাহিদ ইসলামমুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী১৯ দিনে শাহজালালের মাজারে পাওয়া গেল ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা।ঢামেকের সাবেক ছাত্রী ডা. জুবাইদা কে সাথে নিয়ে ৮০ বছর পূর্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্সচট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপজুলাই গণঅভ্যুত্থানে মাদ্রাসা ছাত্রদের স্মরণে পালিত হবে ‘মাদ্রাসা রেজিস্ট্যান্স ডে-২০২৬’জুলাই নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করুন, প্রয়োজনে নিজের রক্ত বিক্রি করে টাকা দেবো: তাজুল ইসলামবিএনপির ইতিহাস জনগণের সঙ্গে প্রতারণার ইতিহাস: নাহিদ ইসলামমুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারীদের জাতির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী১৯ দিনে শাহজালালের মাজারে পাওয়া গেল ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা।ঢামেকের সাবেক ছাত্রী ডা. জুবাইদা কে সাথে নিয়ে ৮০ বছর পূর্তি উদযাপনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আত্মসমর্পণের পরিকল্পনা শেখ হাসিনার: রয়টার্সচট্টগ্রাম অঞ্চলে দুর্যোগ মোকাবিলায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত ১০টি পদক্ষেপ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

কুরবানীকেন্দ্রিক অর্থনীতির বাজার লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, সিজনাল পশুপ্রেমীরা মতলববাজ : আহমদুল্লাহ

প্রকাশিত: ২৬ মে, ২০২৬
কুরবানীকেন্দ্রিক অর্থনীতির বাজার লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, সিজনাল পশুপ্রেমীরা মতলববাজ : আহমদুল্লাহ

দেশে কুরবানীকেন্দ্রিক অর্থনীতির বাজার এক লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছেন ইসলামি আলোচক আহমদুল্লাহ। তিনি বলেছেন, ইবাদতের পাশাপাশি কুরবানী এখন গ্রামীণ অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও খাদ্যচাহিদা পূরণের অন্যতম চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে।


মঙ্গলবার নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে দেশে প্রতি ঈদুল আজহায় এক কোটির বেশি পশু কুরবানী হচ্ছে। এসব পশুর বড় অংশ উৎপাদন করে দেশের প্রায় ১৭ লাখ ছোট-বড় খামার। এর সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত রয়েছেন প্রায় এক কোটি মানুষ।


পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, কুরবানীকেন্দ্রিক অর্থনীতি এখন আর শুধু পশুর হাটে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে পরিবহন, পশুখাদ্য, চামড়া শিল্প, মসলা ব্যবসা, কামারশিল্প, ই-কমার্স, ফ্রিজিং, ডিজিটাল পেমেন্ট, অনলাইন কুরবানী সেবা এবং মৌসুমি শ্রমবাজারও যুক্ত হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, নিয়মিত খামারিদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক কৃষক সারা বছর গরু-ছাগল লালন-পালন করেন কুরবানীর হাটে বিক্রির আশায়। পশু বিক্রির আয় দিয়েই অনেকে মেয়ের বিয়ে, ঘর মেরামত কিংবা পরিবারের চিকিৎসার খরচ চালান।


একসময় পার্শ্ববর্তী দেশের গরুতে দেশের কুরবানীর বাজার নির্ভরশীল ছিল উল্লেখ করে আহমদুল্লাহ বলেন, এখন দেশীয় উৎপাদিত পশুতেই কুরবানীর চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ গরুর মাংস রপ্তানির সক্ষমতাও অর্জন করতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।


পোস্টে তিনি কুরবানীর সামাজিক গুরুত্বের দিকও তুলে ধরেন। তাঁর ভাষ্য, কুরবানী অভাবী মানুষের আমিষের চাহিদা পূরণে বড় ভূমিকা রাখে। এমনও হয়, যে কৃষক হাটে গরু বিক্রি করেন, ঈদের দিন তাঁর ঘরেও কুরবানীর গোশত পৌঁছে যায়।


কুরবানী নিয়ে সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “অস্তিত্বের প্রয়োজনে আমাদেরকে পশু জবাই করতেই হয়। কিন্তু ইবাদতের পাশাপাশি এটা যদি কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও অভাবীদের আমিষের চাহিদা পূরণের হাতিয়ার হয়, তাহলে এটি নিয়ে আপত্তি তোলা নির্বুদ্ধিতা কিংবা মতলববাজ আচরণ ছাড়া কিছু নয়।”