সর্বশেষ
প্রধানমন্ত্রীর পর এবার রাতের ঢাকায় বর্জ্য তদারকিতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীপ্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স গঠনের দাবি বিরোধী দলের, ইতিবাচক সরকারি দলওচাঁদপুরে সেচ্ছাসেবক দলের নেতার ধর্ষণে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, গ্রেফতার ২।সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিটে বড় সংস্কার, সহজ হচ্ছে কর্মসংস্থানের প্রক্রিয়াএস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়ার প্রসঙ্গ সংসদে, ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিলোমিটার জার্মানির পতাকা বানালেন কৃষক আমজাদটেলিটক–বাংলালিংক একীভূত করতে আগ্রহী বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওনএপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কংগ্রেসের তদন্তকারীদের মুখোমুখি বিল গেটসপ্রধানমন্ত্রীর পর এবার রাতের ঢাকায় বর্জ্য তদারকিতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীপ্রবাসীদের সমস্যা সমাধানে টাস্কফোর্স গঠনের দাবি বিরোধী দলের, ইতিবাচক সরকারি দলওচাঁদপুরে সেচ্ছাসেবক দলের নেতার ধর্ষণে ৮ম শ্রেণির ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, গ্রেফতার ২।সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওয়ার্ক পারমিটে বড় সংস্কার, সহজ হচ্ছে কর্মসংস্থানের প্রক্রিয়াএস আলমের গাড়িতে চড়ে সংবর্ধনা নেওয়ার প্রসঙ্গ সংসদে, ব্যাখ্যা দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীজমি বিক্রি করে সাড়ে ৭ কিলোমিটার জার্মানির পতাকা বানালেন কৃষক আমজাদটেলিটক–বাংলালিংক একীভূত করতে আগ্রহী বাংলালিংকের মূল কোম্পানি ভিওনএপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কংগ্রেসের তদন্তকারীদের মুখোমুখি বিল গেটস
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর গ্রেপ্তার, পাটখেত থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার

প্রকাশিত: ২৮ মে, ২০২৬
তৃণমূল নেতা দীপঙ্কর গ্রেপ্তার, পাটখেত থেকে ২ কোটি টাকা উদ্ধার

দুর্নীতির অভিযোগে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনার বাদুড়িয়া পৌরসভার চেয়ারম্যান দীপঙ্কর ভট্টাচার্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেসের এই নেতাকে ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গতকাল বুধবার তাঁর বন্ধু শামীম গাজীর পাটখেত থেকে পাঁচটি বস্তায় রাখা ২ কোটি ২৪ লাখ টাকা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ।


স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, দীপঙ্করের কাছে আরও টাকা ও সোনার গয়না রয়েছে। সেই সব অবৈধ সম্পদ উদ্ধারের দাবিও তুলেছেন তাঁরা।


দীপঙ্কর তৃণমূলের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার আগে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। এ ছাড়া স্কুটারও চালাতেন। পরে তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তিনি ধীরে ধীরে প্রভাবশালী হয়ে উঠেন। পরে বাদুড়িয়ার পৌরসভার চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন।


স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, পৌরসভার বিভিন্ন প্রকল্পে অবাধে ঘুষ নিতেন দীপঙ্কর। আবাসন প্রকল্প থেকে শুরু করে রেশন কার্ড, লক্ষ্মীর ভান্ডার, বেকার ভাতা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, গরিবদের আবাসন প্রকল্প—সব ক্ষেত্রেই তিনি দরিদ্র মানুষের কাছ থেকে ঘুষ নিতেন। ঘুষ ছাড়া তিনি কোনো কাজই করতেন না।

বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় আসার পর চেয়ারম্যান পদ থেকে দীপঙ্করের অপসারণ চেয়েছেন স্থানীয়দের একাংশ।