সর্বশেষ
আইপিএলে আবারও চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরুপ্রবাসীর স্ত্রীর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধর্ষণ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা।চট্টগ্রাম নগরে সড়কের ওপর এখনো চামড়ার স্তূপ, দুর্গন্ধে টেকা দায়পদ্মা ও যমুনা সেতু থেকে গত ১০ দিনে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা টোল আদায়দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসআদ্-দ্বীন হাসপাতালকে তিন লাখ টাকা জরিমানালেবাননে ৯০০ বছরের পুরোনো কৌশলগত দুর্গ দখল করে নিল ইসরায়েলি বাহিনীঈদের ছুটি শেষ, আগামীকাল খুলছে অফিস-আদালতআইপিএলে আবারও চ্যাম্পিয়ন কোহলির বেঙ্গালুরুপ্রবাসীর স্ত্রীর গলায় ছুরি ঠেকিয়ে ধর্ষণ, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা।চট্টগ্রাম নগরে সড়কের ওপর এখনো চামড়ার স্তূপ, দুর্গন্ধে টেকা দায়পদ্মা ও যমুনা সেতু থেকে গত ১০ দিনে প্রায় ৬৪ কোটি টাকা টোল আদায়দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসআদ্-দ্বীন হাসপাতালকে তিন লাখ টাকা জরিমানালেবাননে ৯০০ বছরের পুরোনো কৌশলগত দুর্গ দখল করে নিল ইসরায়েলি বাহিনীঈদের ছুটি শেষ, আগামীকাল খুলছে অফিস-আদালত
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

এখনও মধুমতি ব্যাংকে শক্ত অবস্থানে শেখ পরিবার

প্রকাশিত: ৩১ আগস্ট, ২০২৫

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও বেসরকারি মধুমতি ব্যাংকে এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে শেখ পরিবার। ব্যাংকটির পরিচালক পদে রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল ও মামাতো ভাইয়ের ছেলে শেখ ফজলে নূর তাপস।

সরকার পতনের পর থেকেই তারা পলাতক রয়েছেন। এ সময়ের মধ্যে তারা ব্যাংকের কোনো বোর্ড সভায় উপস্থিত ছিলেন না। অথচ বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো পরিচালক টানা তিনটি বোর্ড সভায় বা তিন মাসের বেশি সময় অনুপস্থিত থাকলে তার পদ শূন্য হওয়ার কথা। কিন্তু দীর্ঘদিন অনুপস্থিতির পরও ব্যাংকের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। বরং মধুমতি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীর বারবার তাদের ছুটি বাড়িয়ে পরিচালক পদে বহাল থাকার সুযোগ করে দিচ্ছেন। উল্লেখ্য, হুমায়ূন কবীর আবার তাপসের স্ত্রীর আত্মীয় (বোনজামাই)।

গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বহু ব্যাংকের পরিচালক আত্মগোপনে রয়েছেন। তাদের অধিকাংশই বিদেশে চলে গেছেন। এসব পরিচালক নানা কৌশলে ব্যাংকের পর্ষদে টিকে থাকার চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ বিদেশে বসে অনলাইনে সভায় অংশ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সরকার পরিবর্তনের পর অনলাইনে অংশগ্রহণের সুযোগ বাতিল করে বাংলাদেশ ব্যাংক। বর্তমানে অনেকেই হোয়াটসঅ্যাপ ও ই-মেইলে ছুটি নিয়ে মাসের পর মাস পার করে দিচ্ছেন।

মধুমতি ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, গত ১৩ মাস ধরে ব্যাংকের পরিচালক শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল ও শেখ ফজলে নূর তাপস বোর্ড সভায় অংশ নিচ্ছেন না। নিয়ম অনুযায়ী, কোনো পরিচালক পরপর তিনটি সভায় বা তিন মাস অনুপস্থিত থাকলে তার পদ বাতিল হওয়ার কথা। কিন্তু চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীর তাদের ছুটি অনুমোদনের মাধ্যমে পদে বহাল রাখছেন। দুই পরিচালক ছুটির আবেদন ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে পাঠান। কখনো কখনো ছুটির আবেদন ছাড়াই তাদের ছুটি বাড়ানো হয়।

ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ‘বোর্ড সভায় অনুপস্থিত থাকা মানেই তারা ব্যাংকের কোনো কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন না। তবুও তারা পরিচালক পদে বহাল রয়েছেন। এটা যদি নিয়ম হয়ে যায়, তবে ভবিষ্যতে অন্যরাও এভাবে মাসের পর মাস ছুটি নিয়ে পদ আঁকড়ে থাকার চেষ্টা করবেন। এতে ব্যাংক খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি হবে।’

ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীরের এক কোটি ৫৫ লাখ ৮ হাজার ৫০০টি শেয়ার রয়েছে। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান শেখ সালাউদ্দিন জুয়েলের রয়েছে দুই কোটি ৯ লাখ ৩৬ হাজার ৪৭৫টি এবং শেখ ফজলে নূর তাপসের চার কোটি ৬৫ লাখ ২৫ হাজার ৫০০টি শেয়ার।

জানতে চাইলে মধুমতি ব্যাংকের চেয়ারম্যান হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘বোর্ড থেকে তাদের ছুটি অনুমোদন করা হয়েছে। সে অনুযায়ী তারা পদে বহাল আছেন। ছুটির বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংককেও জানানো হয়েছে। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক কি ব্যবস্থা নেয়, তা তারাই জানে।’