রাবিতে বামদের মধ্যেও শিবির ডুকে গেছে।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি ক্যাম্পাস যেখানে বামদের মধ্যে শিবির ঢুকে গেছে।”
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন মার্কেট সংলগ্ন আমতলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আবাসিক হলে ৯১ ছাত্রীকে নিয়ে শাখা ছাত্রদল নেতার আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আমান বলেন, “গুপ্ত এই শিবিররা অন্য সংগঠনের পদ নিয়ে বসে থাকে। পৃথিবীর অন্য কোনো দেশে ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে এমন নজির নেই। ৫ অগাস্টের পর যত নারী বুলিংয়ের শিকার হয়েছে, কমেন্ট সেকশন থেকে তাদের আইডি ঘেঁটে দেখলেই বোঝা যায়, তারা কোন আদর্শে বিশ্বাসী। বাংলাদেশে যত জনসংখ্যা আছে, তার থেকেও শিবিরের বট আইডির সংখ্যা বেশি।”
তার এই বক্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুল।
তিনি বলেন, “ক্যাম্পাসে মোটামুটি আটটা বাম ও বামঘেঁষা ছাত্র সংগঠন সক্রিয় আছে। ছাত্রদলকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে, সুনির্দিষ্ট কোন বাম সংগঠনে শিবির ঢুকেছে। অন্যথায় এই ধরনের ঢালাও অপবাদের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মুজাহিদ ফয়সাল বলেন, “ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদকের কাছে কোনো তথ্য-প্রমাণ থাকলে উপস্থাপন করুন। আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। কিন্তু মনগড়া বক্তব্য কিংবা দায় দিয়ে দেওয়া রাজনীতি মোটেও কাম্য নয়।