সর্বশেষ
“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলানাজমুলের সেঞ্চুরির পর মোস্তাফিজের ৫ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশঘরেই বানান মজাদার আফলাতুন, দেখুন রেসিপি‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলানাজমুলের সেঞ্চুরির পর মোস্তাফিজের ৫ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশঘরেই বানান মজাদার আফলাতুন, দেখুন রেসিপি‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

রুটি দেয়া হলে বুঝতাম—এখন সকাল হয়েছে

প্রকাশিত: ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
রুটি দেয়া হলে বুঝতাম—এখন সকাল হয়েছে

আয়নাঘরে থাকা অবস্থায় আমি দিন গুনতাম খাবার দেখে। খাবারের জন্য রুটি আসলে বুঝতে পারতাম নতুন দিনের শুরু হয়েছে। দুপুর ও রাতে ভাত, ১ পিস মাছ অথবা মুরগি দেয়া হতো, সঙ্গে সবজি। এভাবে দিন গুনে একটি পেরেক দিয়ে দেয়ালে হিসাব রাখতাম, দু’মাস পর আমি হিসাব রাখা বন্ধ করে দেই বলে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন বিএনপি নেতা ও দলটির এমপি প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে জেআইসিতে জোরপূর্বক অপহরণ ও গুম করে নির্যাতনের ঘটনায় করা মামলায় সূচনা বক্তব্য ও আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১২ জন সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে করা এই মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে হুম্মাম কাদের চৌধুরী সাক্ষ্য দিচ্ছেন।

সোমবার সকালে বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। দুপুরে বিরতির পরে তিনি বাকী সাক্ষ্য দেবেন।

সেনাবাহিনীর জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টারে (জেআইসি) গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিতে এসে হুম্মাম বলেন, ‘২০১৬ সালের ৪ আগস্ট সকাল ৯ টায় রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে সিএমএম কোর্টে গাড়িযোগে হাজিরা দিতে যাচ্ছিলাম। বংশাল থানার সামনে গোল চত্বরে ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়ালে আমার গাড়িটি ৭-৮ জন সিভিল পোশাকধারী ব্যক্তি গাড়ি ঘেরাও করে। আমার সঙ্গে থাকা মোবাইল ও ওয়ালেট মার কাছে দিয়ে তাকে বিদায় জানিয়ে গাড়ি থেকে নেমে পড়ি। পরে আমাকে বংশাল থানায় এবং পরবর্তীতে মিন্টু রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়।’

হুমাম কাদের আরও বলেন, ‘ডিবি কার্যালয় থেকে রাত ১১ টার পরে একটি ভাঙা মাইক্রোবাসে করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়, মাইক্রোবাসে ড্রাইভারের সঙ্গে একজন, আমার দুপাশে দুইজন ও পেছনে একজন বসা ছিলো। এ সময় সামনে বসা লোকটি কান্না করতেছিলো। তিনি আমার কাছে ক্ষমা চান। আমি বুঝতে পারি যে আমাকে এখন ক্রসফায়ার দেয়া হবে। কিছুক্ষণ পরে আমাকে ব্লাইন্ডফোল্ড করতে বলা হয়। পরে মহাখালী ফ্লাইওভার দিয়ে এয়ারপোর্টের রাস্তা দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। আমি চোখ বাঁধা অবস্থায় থাকলেও রাস্তায় জিগজাক করে কোণ রাখায় বুঝতে পারি এটি এয়ারপোর্টের রাস্তা। সেখানে কোনো এক কাচা রাস্তায় নিয়ে অন্য একটি গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তারা আমাকে ব্লাইন্ড ফোল্ডের উপর যমটুপি পড়িয়ে ও হাতকড়া লাগিয়ে আয়নাঘরে নিয়ে যায়। সেখানে আমাকে ৭ মাস গুম করে রাখা হয়।’