সর্বশেষ
“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলানাজমুলের সেঞ্চুরির পর মোস্তাফিজের ৫ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশঘরেই বানান মজাদার আফলাতুন, দেখুন রেসিপি‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলানাজমুলের সেঞ্চুরির পর মোস্তাফিজের ৫ উইকেট, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ জিতল বাংলাদেশঘরেই বানান মজাদার আফলাতুন, দেখুন রেসিপি‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’-এর কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আত্মসাৎয়ের অভিযোগ দলের সদস্যের।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

কুমিল্লায় বিএনপি নেতা রবিউলকে কুপিয়ে হত্যা করে বিএনপির অপর গ্রুপ।

প্রকাশিত: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
কুমিল্লায় বিএনপি নেতা রবিউলকে কুপিয়ে হত্যা করে বিএনপির অপর গ্রুপ।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের মির্জানগর গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে রবিউল ইসলাম (৫০) নামে এক কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (সকাল আনুমানিক সাড়ে ১০টা) বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে কবির হোসেন ও রবিউলের নেতৃত্বে একটি পক্ষ ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মো. কুদ্দুস এবং ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেনকে মারধর করে। ঘটনার পর নূর নবী, মহিন ও মঈনুলের নেতৃত্বে আরেকটি পক্ষ সংঘবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ পাগলা বাজারে সফিকুর রহমানের চা দোকানে গিয়ে রবিউল ও কবিরের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে রবিউল, জাকিরসহ একাধিক ব্যক্তি গুরুতর আহত হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় রবিউলকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহত কবির হোসেন জানান, দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় বিরোধ মীমাংসার আশ্বাসে তাদের পাগলা বাজারে ডাকা হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর মির্জানগর বড়বাড়ীর শাহ আলমের ছেলে মো. নূর নবী, মো. মহিন উদ্দিন, আবদির রবের ছেলে ময়নাল হোসেন, মৃত আবদুল হকের ছেলে আবদুল কুদ্দুস, মৃত রজ্জব আলীর ছেলে মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মৃত শুজত আলীর ছেলে আবদুর রবসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র ও ছুরি নিয়ে হামলা চালায়। হামলায় তাকে ও রবিউলসহ অন্যরা মারাত্মকভাবে আহত হন।

নিহত রবিউল মির্জানগর গ্রামের মৃত চান মিয়ার ছেলে এবং ওয়ার্ড যুবদলের নেতা ছিলেন। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় বিএনপির দুটি নির্বাচনী ক্যাম্প রয়েছে। দলীয় অনুদান ও অর্থ বিতরণকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর আগেও দুই-তিন মাস আগে একই কারণে সংঘর্ষ হয়েছিল, যা তখন সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে মীমাংসা হয়।

ঘটনার পর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কায়সার আলম সেলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম এবং উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব গাজী লিটন নিহত রবিউলের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান।

বরুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, পাগলা বাজারে সফিকুর রহমানের চা দোকানে নূর নবী, মহিন ও মঈনুলের নেতৃত্বে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে রবিউল নিহত হন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।