আমার একটি হাঁসও যেন কোনো শেয়ালের বাচ্চা খেতে না পারেঃ রুমিন

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, “আমার একটি হাঁসও যেন কোনো শেয়ালের বাচ্চা খেতে না পারে। ১১ তারিখ থেকে ১২ তারিখ ফল ঘোষণা পর্যন্ত সবাইকে ভোটকেন্দ্রের পাশে থাকতে হবে। আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। আমাকে ভোট দিলে আপনাদের মেয়ে, আপনাদের বোন এমপি হবে।”
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনের বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা গ্রামে এক উঠান বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, হাঁস মার্কায় ভোট দিলে এলাকার রাস্তাঘাটসহ সার্বিক উন্নয়ন হবে। “ব্রাহ্মণবাড়িয়ার গ্যাস দিয়ে সারা দেশ চলে, অথচ আমরা ঘরের লোক হয়েও গ্যাস পাই না। আমি এমপি হলে আগে ঘরের লোকদের গ্যাস নিশ্চিত করতে হবে,” বলেন তিনি।
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে পুলিশ ও প্রশাসন আলাদা নজরদারি রাখবে। বিদেশি পর্যবেক্ষক ও গণমাধ্যমও বিশেষভাবে নজর দেবে। “এখানে জাল ভোট দিলে তার সমুচিত জবাব দেওয়া হবে। যারা এসব চিন্তা করছেন, তাদের ভেবে কাজ করতে হবে—না হলে খবর আছে,” বলেন তিনি।
তিনি বলেন, অনেকে প্রশ্ন করেন কেন তিনি এই দুই ইউনিয়ন বেছে নিয়েছেন। এর ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, এখানে তার দাদির কবর রয়েছে এবং এটি তার বাবার জন্মভূমি। “এই এলাকার মানুষের কাছে আমি ঋণী। আপনারা আমার বাবা অলি আহাদকে ভোট দিয়েছিলেন, কিন্তু তাহের উদ্দিন ঠাকুরকে নির্বাচিত করে ইচ্ছাকৃতভাবে আমার বাবাকে ফেল করানো হয়েছিল। তাই আপনাদের সেবা করতেই আমি এখানে এসেছি,” বলেন তিনি।
সাবেক মেম্বার সায়েদ মিয়ার সভাপতিত্বে উঠান বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক বিএনপি নেতা প্রকৌশলী কাজী রফিকুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, মো. সামছুদ্দিন, আশিক মিয়াসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।