সিলেটে শহর, মহাসড়ক ও রেল উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও পরিকল্পনার ঘোষণা।

সিলেট সফরে প্রধানমন্ত্রী একাধিক অবকাঠামো ও উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন এবং একই সঙ্গে ঢাকা–সিলেট সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার বড় ধরনের উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।
শনিবার সিলেট নগরীতে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি সুরমা নদীর দুই তীর উন্নয়ন, বন্যা প্রতিরোধ এবং নগর সৌন্দর্যবর্ধন সংক্রান্ত একটি বড় প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পের আওতায় নদীর তীরে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, ওয়াকওয়ে, ড্রেজিং এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা হবে।
এছাড়া সফরের অংশ হিসেবে তিনি বাসিয়া খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধন, বাংলাদেশ ওভারসিজ সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬’ কর্মসূচিরও উদ্বোধন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাল খনন কার্যক্রমের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা নিরসন ও ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে, যা ভবিষ্যৎ পানি সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ।
ঢাকা–সিলেট সড়ক যোগাযোগে বড় পরিবর্তনের পরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঢাকা–সিলেট মহাসড়ক উন্নয়নে সরকার ইতোমধ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে এই সড়ককে আরও প্রশস্ত ও আধুনিক করা হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সড়কের অবস্থার কারণে ঢাকা–সিলেট যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় লাগে, যা উন্নয়ন কাজ শেষ হলে উল্লেখযোগ্যভাবে কমে
রেল যোগাযোগে ডাবল লাইনের পরিকল্পনা
সড়কের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ উন্নয়নেও জোর দিচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ঢাকা–সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তার মতে, রেল যোগাযোগ উন্নত হলে যাতায়াত খরচ কমবে, ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে এবং সড়কের ওপর চাপও কমবে। একই সঙ্গে সারাদেশে রেল নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
সামগ্রিক বার্তা
- সিলেট সফরে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্ট হয়েছেনগর উন্নয়ন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ রক্ষায় বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে
- ঢাকা–সিলেট সড়ককে আধুনিক ও দ্রুতগতির যোগাযোগে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে
রেলপথে ডাবল লাইন চালুর মাধ্যমে বিকল্প ও সাশ্রয়ী যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দেওএই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে সিলেট অঞ্চলের যোগাযোগ, অর্থনীতি ও নগর ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।