দাজ্জালকে ফেরাতেই ইরানে আক্রমণ; নেতানিয়াহুর মন্তব্যে তোলপাড়

শুক্রবার ১৩ মার্চ প্রকাশ্যে দেওয়া বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শেষ পর্যন্ত মসিহার ফিরে আসার দিকে ইঙ্গিত দিচ্ছে এবং ইসরায়েল সেই লক্ষ্যের দিকেই এগোচ্ছে''।তবে তিনি বলেন, এটি তাৎক্ষণিকভাবে ঘটবে না।
নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা মসিহার প্রত্যাবর্তনের দিকে পৌঁছাবো, তবে এটি আগামী বৃহস্পতিবারই ঘটবে এমন নয়।”
তিনি আরও জানান, তার মতে এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য একটি নতুন ইহুদি মন্দির পুনর্নির্মাণ করতে হবে। মুসলিমদের গুরুত্বপূর্ণ বর্তমান স্থাপনাগুলো যেমন কুব্বাত আস সাখরা বা ডোম অফ দ্য রক এবং আল আকসা মসজিদ অপসারণ করে সেটি নির্মাণ করা হতে পারে।
নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে ইসরায়েল “অভূতপূর্ব” সাফল্য অর্জন করছে। তার মতে, এই অভিযান মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তন করছে এবং এতে ইসরায়েল একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক পরাশক্তি হিসেবে আরও প্রতিষ্ঠিত হবে।
ইরানের নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে সতর্কবার্তাও দেন তিনি। ইরানের শীর্ষ নেতা মোজতবা খামেনি এবং হিজবুল্লাহর প্রধান নাইম কাসেম এর উদ্দেশে নেতানিয়াহু বলেন, তাদের কাউকেই তিনি ছাড় দেবেন না। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলের লক্ষ্য এমন পরিস্থিতি তৈরি করা যাতে শেষ পর্যন্ত ইরানের বর্তমান সরকারের পতন ঘটতে পারে—যদিও তিনি বলেন, এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইরানের জনগবিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে আল আকসা মসজিদ কে ঘিরে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংবেদনশীলতার কারণে বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে।
মুসলিমদের দৃষ্টিকোণ থেকে কুব্বাত আস সাখরা বা ডোম অব দ্য রক এবং আল আকসা মসজিদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থান। ইসলামে আল-আকসা মসজিদকে মক্কা ও মদিনার পর তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে গণ্য করা হয়। আর ডোম অব দ্য রককে সেই স্থান হিসেবে ধরা হয়, যেখান থেকে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজের রাতে আসমানে গমন করেছিলেন।
ই।
ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ “মসিহার প্রত্যাবর্তনের” পথ তৈরি করছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু।