সর্বশেষ
নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।ফরিদপুরের গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার এক পুলিশ।লেবাননে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে কি?ম্যান্ডেলসনের নিরাপত্তা যাচাইকরণ বিভ্রাটে চাপ বৃদ্ধির মধ্যে কির স্টারমার পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যানলেবানন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ঐক্যমত জরুরিট্রাম্পের দশ বিলিয়ন ডলারের আইআরএস মামলা সমাধানের চেষ্টা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়াযুক্তরাষ্ট্রের বিচারক রোধ করলেন রোড আইল্যান্ডে ভোটার তথ্যের দাবিনীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।ফরিদপুরের গভীর রাতে আসামির স্ত্রীর সাথে প্রেম করতে গিয়ে গণপিটুনির শিকার এক পুলিশ।লেবাননে যুদ্ধবিরতি স্থায়ী হবে কি?ম্যান্ডেলসনের নিরাপত্তা যাচাইকরণ বিভ্রাটে চাপ বৃদ্ধির মধ্যে কির স্টারমার পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যানলেবানন যুদ্ধক্ষেত্র নয়, স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে ঐক্যমত জরুরিট্রাম্পের দশ বিলিয়ন ডলারের আইআরএস মামলা সমাধানের চেষ্টা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়াযুক্তরাষ্ট্রের বিচারক রোধ করলেন রোড আইল্যান্ডে ভোটার তথ্যের দাবি
Live Bangla Logo

ট্রাম্পের দশ বিলিয়ন ডলারের আইআরএস মামলা সমাধানের চেষ্টা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল, ২০২৬
ট্রাম্পের দশ বিলিয়ন ডলারের আইআরএস মামলা সমাধানের চেষ্টা নিয়ে বিরূপ প্রতিক্রিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার বিরুদ্ধে আয়র ইউনিয়ন সার্ভিস (আইআরএস) এর বিরুদ্ধে দায়ের করা দশ বিলিয়ন ডলারের মামলার দ্রুত সমাধান কামনা করছেন। গত ১৭ এপ্রিল আদালতে দাখিল করা নতুন কাগজপত্রে ট্রাম্পের আইনজীবীরা বিচার বিভাগকে মামলাটি তদন্ত ও নিষ্পত্তির জন্য ৯০ দিনের জন্য বিচার প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার আবেদন করেছেন। এই সময়টাতে তারা চেষ্টা করবেন মামলার পক্ষগুলোর মধ্যে একটি সমঝোতা করতে।

তবে ইস্যুটির সবচেয়ে বিতর্কিত দিক হলো, ট্রাম্পের এই মামলার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ তথা সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণকারী সংস্থাটি তার নিজের প্রশাসনের অধীনে কাজ করছে। সমালোচকরা বলছেন, এর ফলে বিষয়টি স্ব-সংশ্লিষ্ট পক্ষের মধ্যে মামলা সমাধানের অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে, যা আদালতের ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা ক্ষুণ্ন করবে।

এই মামলা শুরু হয় ২০১৭ সালে, যখন একজন ঠিকাদার হিসেবে নিযুক্ত চার্লস 'চ্যাজ' লিটলজন আইআরএসের গোপন তথ্য লঙ্ঘনের অভিযোগে ট্রাম্পের করের তথ্য চুরি করেন। এই তথ্যসমূহ পরে গণমাধ্যমে ফাঁস হওয়ার মাধ্যমে ট্রাম্পের কর সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রকাশ পায়, যেখানে দেখা যায় তিনি ১৫ বছরে অধিকাংশ বছরে আয়কর দায়িত্ব এড়িয়েছেন বা অত্যন্ত কম পরিমাণে কর দিয়েছেন। এই তথ্যগুলি জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং ট্রাম্পের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার প্রশ্ন উত্থাপন করে।

ট্রাম্প ও তার পরিবার এই তথ্য ফাঁসের জন্য আইআরএস ও ট্রেজারি বিভাগের বিরুদ্ধে বিপুল ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেন, উল্লেখ করে যে তাদের ব্যবসায়িক সুনাম ও ব্যক্তিগত সম্মানহানি হয়েছে। তবে ক্ষমতাসীন দফতরের অধীনে থাকা বিচার বিভাগ সরকারের নিয়ন্ত্রণের কারণে মামলাটি বিরোধ সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা উচ্চমানের নীতিগত ও আইনি বাধা থাকার কারণে এই মামলা সফল হওয়ার সম্ভাবনা কম বলেও মনে করেন।

মামলাটির আরো একটি জটিল দিক হলো এটি কতটা আইনত গ্রহণযোগ্য হবে, কারণ অভিযোগের ভিত্তিতে ক্ষতিপূরণের হিসাব করা হয়েছে মিডিয়ায় ট্রাম্পের কর তথ্য ফাঁসের পুনঃপ্রকাশের ওপর, যা প্রকৃত ক্ষতির সঠিক মাপকাঠি নয়। অপরদিকে, লিটলজন একজন সরকারি কর্মচারী না, তিনি বাইরের ঠিকাদার হিসেবে কাজ করতেন, যা কর ফাঁসের ক্ষেত্রে দায়ীত্বের বিষয়ে প্রশ্ন তোলে।

এছাড়াও, মামলাটি দায়েরের সীমাবদ্ধতা কালোও সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে, কারণ ট্রাম্প ২০২০ সাল থেকেই সামাজিক মাধ্যমে করের তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ তুলছেন, যা জামানত কাল সম্পূর্ণ হওয়ার পূর্বে মামলা দায়ের হওয়ার বিষয়টিকে সন্দেহযুক্ত করে তোলে।

কোনো অর্থনৈতিক ক্ষতিপূরণ চুক্তি হলে তাকে দানের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের কথা ট্রাম্প উল্লেখ করলেও, বিশেষজ্ঞরা জানান এটি মার্কিন সংবিধানের এক্তিয়ার নিয়মাবলীর (এমোলুমেন্টস ক্লজ) লঙ্ঘন হতে পারে কারণ একজন আমলার আলাদা উপার্জনের মাধ্যমে অফিসের সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন না।

সরকারি পর্যবেক্ষকরা এই মামলার স্বচ্ছতা রক্ষায় সতর্ক করে দিয়েছেন এবং সম্ভাব্য স্ব-লড়াইয়ের ঝুঁকির প্রতি আদালতকে সচেতন করার আবেদন জানিয়েছেন। ট্রাম্পের সরকারী তদন্ত সংক্রান্ত অন্যান্য মামলা ও দাবি, যেমন তার নির্বাচনী তদন্ত সংক্রান্ত ক্ষতিপূরণদাবিও এ বিষয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।

সাম্প্রতিক এই ঘটনা মার্কিন রাষ্ট্রপতি এবং বিচার ব্যবস্থার মধ্যে সম্ভবত সংঘর্ষপূর্ণ সম্পর্কের একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা দেশের সংবিধান ও ন্যায়বিচারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।