সর্বশেষ
যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরানপরমাণু শক্তি কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক কিবরিয়াবাংলাদেশ-চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সহযোগিতা গভীর করার অঙ্গীকারস্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করছে ভারত: মিশ্রিশুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনাকলকাতার নিউ মার্কেটে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানে বুলডোজার দিয়ে মুসলিমদের দোকান গুড়িয়ে দিচ্ছে বিজেপি।ভিভিআইপি প্রটোকল ভেঙে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান১০০ বছর ক্ষমতায় থাকবে বিজেপি : শুভেন্দুযুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার পথে যুক্তরাষ্ট্র–ইরানপরমাণু শক্তি কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব, সাধারণ সম্পাদক কিবরিয়াবাংলাদেশ-চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, সহযোগিতা গভীর করার অঙ্গীকারস্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করছে ভারত: মিশ্রিশুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারীকে গুলি করে হত্যা, এলাকায় উত্তেজনাকলকাতার নিউ মার্কেটে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানে বুলডোজার দিয়ে মুসলিমদের দোকান গুড়িয়ে দিচ্ছে বিজেপি।ভিভিআইপি প্রটোকল ভেঙে অ্যাম্বুলেন্সকে পথ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান১০০ বছর ক্ষমতায় থাকবে বিজেপি : শুভেন্দু
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করছে ভারত: মিশ্রি

প্রকাশিত: ৬ মে, ২০২৬
স্থবির দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করছে ভারত: মিশ্রি

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সহযোগিতা এগিয়ে নিতে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার জন্য ৪০টির বেশি প্রক্রিয়া রয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের দেড় বছরে স্থবির হয়ে পড়া এসব প্রক্রিয়াকে ভারত পুনরুজ্জীবিত করে ধীরে ধীরে সক্রিয় করার চেষ্টা করছে।

দুই নিকট প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে এটাকে একটি সতর্ক ও পরিকল্পিত উদ্যোগে হিসেবে উল্লেখ করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি।


গত সোমবার বিকেলে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ভারত সফররত বাংলাদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে এ কথা বলেন ভারতের পররাষ্ট্রসচিব। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে নয়াদিল্লি সফর করছে। তাদের সঙ্গে বিক্রম মিশ্রি প্রায় এক ঘণ্টা দুই দেশের সম্পর্কের অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ নিয়ে কথা বলেন। এ সময় তিনি ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে ভারতের ভাবনা, সহযোগিতার বিভিন্ন ইস্যুর পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা ও ভূরাজনৈতিক বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।


ভারত ও বাংলাদেশের সাংবাদিকদের এমন সফর প্রতিবছর হয়ে থাকে।

ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আমলে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কে অবনতি ঘটে। আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ঘনিষ্ঠ মিত্র নয়াদিল্লি বাংলাদেশে সব দলের অংশগ্রহণে জাতীয় নির্বাচনের কথা বললেও গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী বিএনপিকে স্বাগত জানায়। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের পার্লামেন্টের স্পিকার ওম বিড়লাকে ঢাকায় পাঠায় নরেন্দ্র মোদি সরকার। এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের সঙ্গে ইতিবাচকভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার বার্তা দেওয়া হয়।