সর্বশেষ
নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Meta cuts 8,000 jobs in sweeping global layoffsসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Sierra Leone receives first group of West African deportees from USUS indicts Cuba’s former leader Raul Castro: Why it mattersChina and Russia unite after Trump’s Beijing visitWhat’s the significance of the Russian president’s visit to China?খবরে প্রকাশ, James Murdoch to acquire New York Magazine and Vox Media Podcast Networkকলকাতা হাইকোর্টে মামলা করলেন তৃণমূলের এমপি মহুয়া মৈত্রজাবিতে যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে জবি শিক্ষার্থীদের সংহতিনির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, Meta cuts 8,000 jobs in sweeping global layoffsসংবাদ সূত্রে জানা গেছে, Sierra Leone receives first group of West African deportees from USUS indicts Cuba’s former leader Raul Castro: Why it mattersChina and Russia unite after Trump’s Beijing visitWhat’s the significance of the Russian president’s visit to China?খবরে প্রকাশ, James Murdoch to acquire New York Magazine and Vox Media Podcast Networkকলকাতা হাইকোর্টে মামলা করলেন তৃণমূলের এমপি মহুয়া মৈত্রজাবিতে যৌন সহিংসতার বিরুদ্ধে আন্দোলনে জবি শিক্ষার্থীদের সংহতি
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

গরুর আবাসিক হোটেল, অভিনব উদ্যোগ!

প্রকাশিত: ১৯ মে, ২০২৬
গরুর আবাসিক হোটেল, অভিনব উদ্যোগ!

রংপুর নগরের বারো আউলিয়া এলাকায় গড়ে উঠেছে ব্যতিক্রমধর্মী এক ‘গরুর আবাসিক হোটেল’। গরু ব্যবসায়ীদের পরিবহন ও নিরাপত্তাজনিত সমস্যার সমাধান করতে ১০ বছর আগে এই উদ্যোগ নেন আশানুর ইসলাম। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলার গরু ব্যবসায়ীদের কাছে এটি আস্থার জায়গা হয়ে উঠেছে।


আশানুর জানান, ছোটবেলায় বাবা আনছার আলী–এর সঙ্গে হাটে গিয়ে তিনি দেখতেন, গরু কেনার পর সেগুলো রাখার নিরাপদ জায়গা পাওয়া যেত না। ঝড়-বৃষ্টি কিংবা তীব্র রোদে গরু অসুস্থ হয়ে পড়ত, এমনকি কখনো মারা যেত। এতে ব্যবসায়ীদের বড় ধরনের লোকসান গুনতে হতো। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই গরু রাখার জন্য আবাসিক হোটেল করার পরিকল্পনা করেন তিনি।


বর্তমানে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশে প্রায় ৫০ শতক জমির ওপর টিনশেড দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে হোটেলটি। সেখানে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে শত শত গরু। শেডের ভেতরে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রয়েছে। গরুর জন্য বৈদ্যুতিক পাখা, খড় ও ভুসির খাবার এবং নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।


আশানুর বলেন, প্রতিদিন রংপুর অঞ্চলের বিভিন্ন হাট থেকে গরু কিনে ব্যবসায়ীরা রাতে এখানে রাখেন। সাধারণ সময়ে গরুপ্রতি ৫০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এখন ৬০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।


হোটেলটির দেখাশোনায় আশানুরের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর ছোট ভাই শাহিন মিয়া ও ভগ্নিপতি আলাল মিয়া। শাহিন বলেন, ব্যবসায়ীরা মূলত নিরাপত্তার বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেন। এখন পর্যন্ত কোনো গরু হারানো বা চুরির ঘটনা ঘটেনি।


চট্টগ্রামের গরু ব্যবসায়ী সুরুজ মিয়া জানান, তাঁরা রংপুরের শঠিবাড়ি, লালবাগ, বেদগাড়ি, বুড়িরহাট, পাওটানা ও লালমনিরহাটের বড়বাড়ি হাট থেকে গরু কিনছেন। আগে গরু কেনার পর পরিবহন নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হতো। এখন সুবিধাজনক সময়ে পরিবহন করার আগে গরুগুলো নিরাপদে রাখতে পারছেন।


আরেক ব্যবসায়ী এমদাদ হোসেন বলেন, এই হোটেলকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি হয়েছে। প্রয়োজনে তাঁরা একে অন্যকে আর্থিক সহায়তাও করছেন।


জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. নাজমুল হুদা বলেন, এটি অত্যন্ত ইতিবাচক উদ্যোগ। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা ব্যবসায়ীরা এখানে গরু রেখে পরে পর্যাপ্ত সংখ্যক হলে ট্রাকে করে নিয়ে যাচ্ছেন। এতে গরুগুলো কম ক্লান্ত হচ্ছে এবং ব্যবসায়ীরাও স্বস্তিতে থাকছেন।