প্রিপেইড মিটারে গ্রাহকদের ভোগান্তি।

হয়রানি মুক্তির আশায় প্রিপেইড মিটার বসানো হলেও এখন গ্রাহক ভোগান্তি বেড়েছে আরও বেশি। হাজার টাকা রিচার্জে তাৎক্ষণিক কেটে নেওয়া হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত, তবে কোন খাতে এই টাকা যাচ্ছে—তা জানেন না বেশিরভাগ গ্রাহক।
রাজধানীর উত্তরার বাসিন্দা মামুন জানান, এক হাজার টাকা রিচার্জের পর মাত্র তিন দিনেই ব্যালান্স শেষ হয়ে যায়, যেখানে আগে পোস্টপেইডে মাসে তিন হাজার টাকার মধ্যে বিদ্যুৎ খরচ হতো।
একই অভিযোগ দেশের হাজারো গ্রাহকের। তারা বলছেন, আগে হাজার টাকায় মাস চললেও এখন বিল দ্বিগুণ হচ্ছে, রিচার্জের পরও নানা চার্জ কেটে ফেলা হচ্ছে যার কোনো স্বচ্ছতা নেই।
ডেসকোর কর্মকর্তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. এম শামসুল আলম বলেন,
“গ্রাহকের সঙ্গে অবিচার হচ্ছে, এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের উচিত দ্রুত ব্যাখ্যা ও সমাধান দেওয়া।”
২০০৪ সালে হয়রানি কমাতে প্রিপেইড মিটার চালু হলেও, এখন তা-ই নতুন ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।