পরিবারতন্ত্র বন্ধে জামায়াত আমিরের সেক্রিফাইস স্মরনীয় হয়ে থাকবে: আলী হাসান ওসামা।

সংরক্ষিত নারী আসন ইস্যুতে চলমান আলোচনার মধ্যে দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তকে পরিবারতন্ত্রবিরোধী অবস্থান হিসেবে তুলে ধরেছেন মুফতি আলী হাসান ওসামা।
রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, আমিরে জামায়াতের এই সিদ্ধান্ত একটি সেক্রিফাইস, যা রাজনৈতিকভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দলীয় প্রধানের স্ত্রী পূর্বে সংসদ সদস্য ছিলেন এবং যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার দিক থেকে মনোনয়ন পাওয়ার উপযুক্ত ছিলেন। তবুও পরিবারতন্ত্র এড়াতে তাকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি।
একইভাবে, ব্যারিস্টার আরমানের বোন যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও এবং আলোচনায় থাকা সত্ত্বেও তাকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ওসামা আরও বলেন, দলটি নিজেদের কয়েকটি সংরক্ষিত আসন শরিকদের ছেড়ে দিয়েছে। বিশেষ করে এনসিপি ইতোমধ্যে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেলেও মাহমুদা মিতুর জন্য অতিরিক্ত আসন ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাশেদ প্রধানের বোন এবং মাওলানা মামুনুল হকের দলের এক প্রকৌশলী নারীর জন্যও ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
পোস্টে তিনি অভিযোগ করেন, এত ত্যাগ স্বীকারের পরও দলটিকে নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, চলমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে ইরানের পক্ষ নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নেওয়ার ক্ষেত্রে আমিরে জামায়াতের ভূমিকার কথা, যা তার মতে অন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রকাশ্যে দেখায়নি।
সবশেষে, দলটিকে “আমেরিকার দালাল” আখ্যা দেওয়ার সমালোচনা করে তিনি বলেন, বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় এ ধরনের অভিযোগের ভিত্তি নেই।