বন্ধ কারখানা আবার চালু করতে শিগগিরই প্রণোদনা প্যাকেজ: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেন, ২০ হাজার কোটি টাকা ছাপানো হয়েছে, এমন খবর সত্য নয়। সরকার ও ব্যাংকের কাছে কেবল একটি ওয়েজ অ্যান্ড মিলস অ্যাকাউন্ট আছে, যার লিমিট ১২ হাজার কোটি টাকা। সরকারের দৈনন্দিন লেনদেনের কারণে ব্যালেন্স বাড়ে-কমে।
উদাহরণস্বরূপ, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ সরকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় ব্যালেন্স ছিল ১৭ হাজার ৫৯০ কোটি টাকা, যা বর্তমানে ১১ হাজার ১০৩ কোটি। এটি স্বাভাবিক ট্রানজেকশন এবং অস্থায়ী ওভারড্রাফট।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর জানান, বন্ধ হওয়া কারখানাগুলো আবার চালু করতে শিগগিরই প্রণোদনা প্যাকেজ দেওয়া হবে। পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে জোরালো পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। এ ছাড়া পাঁচটি ইসলামি ব্যাংকের একীভূতকরণ বিষয়ে সরকারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
তিনি বলেন, এটি একটি সময়সাপেক্ষ কাজ। ভবিষ্যতে এই ব্যাংকগুলোকে রি-ক্যাপিটালাইজ করা বা বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনার সুযোগ আছে
।