সর্বশেষ
নোয়াখালীর আলোচিত শিক্ষার্থী হত্যা মামলা: শিক্ষককে ফাঁসির আদেশ আদালতের।টানা বৃষ্টিতে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতিবর্তমান সরকারের আমলে ৪৬৪টি হত্যা এবং ৬৬৬টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।টাঙ্গাইলে তরুণীকে রাতভর ধর্ষণ।মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটূক্তি, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার।ইরানের ৩৫ ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাযুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ।হাত ফসকে ট্রেনের নিচে ২ বছরের শিশু, জড়িয়ে ধরে শুয়ে থেকে রক্ষা করলেন বাবানোয়াখালীর আলোচিত শিক্ষার্থী হত্যা মামলা: শিক্ষককে ফাঁসির আদেশ আদালতের।টানা বৃষ্টিতে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতিবর্তমান সরকারের আমলে ৪৬৪টি হত্যা এবং ৬৬৬টি ধর্ষণের মামলা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।টাঙ্গাইলে তরুণীকে রাতভর ধর্ষণ।মহানবী সাঃ কে নিয়ে কটূক্তি, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর গ্রেফতার।ইরানের ৩৫ ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞাযুক্তরাজ্যে পাচার হওয়া ২৫ কোটি পাউন্ডের বেশি মূল্যের সম্পদ জব্দ।হাত ফসকে ট্রেনের নিচে ২ বছরের শিশু, জড়িয়ে ধরে শুয়ে থেকে রক্ষা করলেন বাবা
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

নোয়াখালীর আলোচিত শিক্ষার্থী হত্যা মামলা: শিক্ষককে ফাঁসির আদেশ আদালতের।

প্রকাশিত: ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
নোয়াখালীর আলোচিত শিক্ষার্থী হত্যা মামলা: শিক্ষককে ফাঁসির আদেশ আদালতের।

নোয়াখালীর সদর উপজেলার বহুল আলোচিত স্কুলছাত্রী তাসনিয়া হোসেন অদিতা হত্যা মামলায় সাবেক গৃহশিক্ষককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন।


মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম ওরফে রনি (৩৩) নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার বাসিন্দা। রায়ের পাশাপাশি তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। আসামির উপস্থিতিতেই আদালত এ রায় দেন।


ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সেলিম শাহী জানান, ছাত্রী হত্যা মামলায় আদালত আসামিকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আদেশ দিয়েছেন।


মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর বিকেলে লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার একটি বাসা থেকে অদিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। একই দিন রাতে সাবেক গৃহশিক্ষক রনিকে গ্রেপ্তার করা হয়।


তদন্তে জানা যায়, জিজ্ঞাসাবাদে আসামি হত্যার দায় স্বীকার করেন এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছোরা ও অন্যান্য আলামত জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় তার শরীরে আঁচড়ের দাগ ও পোশাকে রক্তের চিহ্ন পাওয়া যায় বলেও জানায় পুলিশ।


নিহত অদিতা নোয়াখালী পৌরসভার লক্ষ্মীনারায়ণপুর এলাকার মৃত রিয়াজ হোসেন সরকারের মেয়ে। তার মা রাজিয়া সুলতানা বেগমগঞ্জ উপজেলার একটি বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা।


নিহতের পরিবারের অভিযোগ, অদিতা অন্যত্র কোচিং শুরু করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওই দিন বাসায় ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে হত্যাকাণ্ড ঘটায় আসামি। পরে ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নিতে ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখা হয়।


মামলাটির বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাদীপক্ষের ৪১ জন এবং আসামিপক্ষের ৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।