“এটাকে আমরা জলাবদ্ধতা বলব না, এটাকে আমরা জলজট বলব।”- প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম নগরীতে সাম্প্রতিক জলাবদ্ধতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২৩-২৪ সালের পুরোনো ছবি ব্যবহার করে ‘অপপ্রচার’ চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
বৃহস্পতিবার নগরীর বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান মেগা প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন শেষে চাক্তাই এলাকায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চট্টগ্রামে ব্যাপক জলাবদ্ধতার খবর পৌঁছালে তিনি বিষয়টি গুরুত্বসহকারে নেন। “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পুরোনো ছবি দিয়ে দেখানো হয়েছে—চট্টগ্রাম মহানগর পানির মধ্যে ভাসছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং আমাকে দ্রুত চট্টগ্রামে এসে বাস্তব পরিস্থিতি পর্যালোচনার নির্দেশ দেন,” বলেন তিনি।
তিনি জানান, নির্দেশনা পেয়ে তিনি দ্রুত চট্টগ্রামে এসে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। “আমি এসে ঘুরে দেখেছি, যেভাবে মিডিয়া ও সোশাল মিডিয়ায় প্রচার হয়েছে, বাস্তবে তেমন জলাবদ্ধতা পাইনি। চট্টগ্রাম পানির মধ্যে ভাসছে না,” বলেন প্রতিমন্ত্রী।
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো তথ্য নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “আপনারা সচেতন মানুষ। শুকনা রাস্তাকে বৃষ্টির মধ্যে ডুবে আছে—এভাবে উপস্থাপন করবেন না।”
জলাবদ্ধতা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, হঠাৎ ভারি বৃষ্টির কারণে কিছু এলাকায় সাময়িক পানি জমে থাকতে পারে। “৮০ থেকে ৯০ মিলিমিটার বৃষ্টি হলে পানি নামতে কিছুটা সময় লাগে। এটাকে জলাবদ্ধতা নয়, জলজট বলা উচিত। প্রকৃত জলাবদ্ধতা হলো—যেখানে কয়েকদিন ধরে পানি নেমে যায় না,” বলেন তিনি।
তিনি আরও জানান, নগরীর ৩৬টি খালের মধ্যে ছয়টিতে চলমান উন্নয়নকাজের কারণে কিছু এলাকায় অস্থায়ী পানি জমেছিল, যা স্বল্প সময়ের মধ্যেই সরে গেছে।