সর্বশেষ
৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ৫ ই মে শাপলা চত্বরে বিএনপির ভুমিকা কি ছিলো বিবেচনা করা উচিত: নাহিদ।“কাঁটাতারের বেড়া দেয়া নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের মাধ্যমে কূটনৈতিক চ‍্যানেলে আলোচনা হবে। আমাদের কনসার্ন নিরাপত্তা এবং যেন পুশইন না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা।”ইরানের ওপর পুনরায় আক্রমণ হলে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু হবে: ইব্রাহিম।দ্বিতীয়বারের মতো আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।সিলেট গোলাপগঞ্জে অস্ত্রের মুখে ২০ লাখ টাকা ছিনতাই।একটা সময় দেখতাম সবাই আওয়ামী লীগ করে, আর এখন দেখি যে কেউ আওয়ামী লীগ করে না।বাংলাদেশে কখনোই ভারতীয় দলের জন্য নিরাপত্তা হুমকি ছিল নাপশ্চিমবঙ্গ ও আসামে মুসলমানদের ওপর হামলার প্রতিবাদে হাটহাজারীতে বিক্ষোভ
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ৭০ মুক্তিযুদ্ধার বিবৃতি।

প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
সংসদে ফজলুর রহমানের বক্তব্যের নিন্দা জানিয়ে ৭০ মুক্তিযুদ্ধার বিবৃতি।

‘মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ পরিবারে কেউ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না’—সংসদে দেওয়া বিএনপির সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান-এর এ বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ। সংগঠনটির ৭০ সদস্য স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।


বুধবার দেওয়া ওই বিবৃতিতে পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইঞ্জিনিয়ার মোসলেম উদ্দিন এবং সেক্রেটারি জেনারেল বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. তাজিরুল ইসলাম বলেন, সরকারদলীয় এমপি ফজলুর রহমান জামায়াত ও বিরোধীদলীয় নেতাদের নিয়ে যে ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা “অপ্রীতিকর ও অসংসদীয়”। এ বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।


বিবৃতিতে বলা হয়, মুক্তিযোদ্ধারা জিয়াউর রহমান-এর আহ্বানে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। স্বাধীনতার পর তারা রাষ্ট্রের অধীনে থেকে ভাতা পাচ্ছেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে তাদের অংশগ্রহণের বিষয়টিও তুলে ধরা হয়।


সংগঠনটির ভাষ্য অনুযায়ী, স্বাধীনতার পর অনেক মুক্তিযোদ্ধা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এ যোগ দেন, কেউ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ)-এ যুক্ত হন। পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) গঠিত হলে অনেকেই সেখানে যোগ দেন। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করলে কিছু মুক্তিযোদ্ধা দলটিতেও যুক্ত হন বলে দাবি করা হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে যে কেউ রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে থাকা যেকোনো রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। এ প্রেক্ষাপটে ফজলুর রহমানের বক্তব্যকে “অগ্রহণযোগ্য” এবং “মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থী” বলে উল্লেখ করা হয়।


এছাড়া কিশোরগঞ্জের কোম্পানি কমান্ডার আইয়ুব বিন হায়দার-এর বরাতে বিবৃতিতে দাবি করা হয়, ফজলুর রহমান প্রশিক্ষণ নিলেও মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অস্ত্র হাতে নেননি এবং তিনি কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন না।


বিবৃতিতে পরিষদের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ফজলুল হক, সহসভাপতি আবদুল ওয়ারেছ, ডা. আলতাফ হোসেন, শাহাবুদ্দিন, মতিউর রহমানসহ ৭০ জন সদস্য স্বাক্ষর করেন।