সর্বশেষ
ওরে মা… মা গো… আর মারিস না ভাই… হৃদয় ভাইয়া, ছেড়ে দে… আমি আর করব নাগর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে— তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট।বিয়ের জন্য স্বর্ণ কিনবেন না, বিদেশে বিয়ে করবেন না: মোদি।আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোনামীর পদত্যাগবাগেরহাটে ১৫ ফুট লম্বা অজগর অবমুক্ত।চট্টগ্রামে ডিজেল পাচারকালে ৪ হাজার লিটার ডিজেল সহ ৯ পাচারকারি আটক।পাবনায় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ বিএনপি কর্মী আটক।ইরান যুদ্ধের সময় ইরাকে গোপনে ঘাঁটি গেড়েছিলো ইজরায়েল।ওরে মা… মা গো… আর মারিস না ভাই… হৃদয় ভাইয়া, ছেড়ে দে… আমি আর করব নাগর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে— তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট।বিয়ের জন্য স্বর্ণ কিনবেন না, বিদেশে বিয়ে করবেন না: মোদি।আলোচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মোনামীর পদত্যাগবাগেরহাটে ১৫ ফুট লম্বা অজগর অবমুক্ত।চট্টগ্রামে ডিজেল পাচারকালে ৪ হাজার লিটার ডিজেল সহ ৯ পাচারকারি আটক।পাবনায় অস্ত্র ও ইয়াবাসহ বিএনপি কর্মী আটক।ইরান যুদ্ধের সময় ইরাকে গোপনে ঘাঁটি গেড়েছিলো ইজরায়েল।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার দাবি

প্রকাশিত: ৪ মে, ২০২৬
শাপলা চত্বরে সংঘটিত গণহত্যার বিচার দাবি

শাপলা চত্বরের ঘটনায় বিচার দাবি, দোয়া ও আলোচনা সভার আহ্বান


২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে সংঘটিত ঘটনার বিচার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। একই সঙ্গে শহীদদের স্মরণে আগামীকাল মঙ্গলবার সারা দেশে দোয়া ও আলোচনা সভা আয়োজনের ডাক দিয়েছে সংগঠনটি।


রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান এই দাবি জানান।


বিবৃতিতে নেতারা বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতের সমাবেশে তৎকালীন সরকারের পরিকল্পিত হামলায় বহু মানুষ নিহত ও আহত হন। এতে অসংখ্য আলেম, হাফেজ ও সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে তারা উল্লেখ করেন।


৫ মের শহীদদের স্মরণে সারা দেশে দোয়া ও আলোচনা সভা আয়োজন করতে সংগঠনের নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।


বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ওই ঘটনার দায়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫৪ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা মামলা বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। শাপলা চত্বরের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।


এছাড়া, ২০১৩ সালের ঘটনার প্রতিবাদে কার্যকর ভূমিকা না থাকায় পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের সহিংসতা ঘটেছে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। নেতারা তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন পক্ষের ভূমিকা নিয়েও সমালোচনা করেন।


সরকারকে সতর্ক করে হেফাজত নেতারা বলেন, নাগরিকদের মানবিক মর্যাদা, নিরাপত্তা ও ধর্মীয় অনুভূতি রক্ষায় ব্যর্থ হলে জনগণের আস্থা হারানোর ঝুঁকি তৈরি হবে।