সর্বশেষ
ফজরের নামাজ চলাকালে খুলনার মসজিদে গুলি, আহত ২জয়ের সমান ড্র, বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট কাতারেরভিনিসিয়ুসের দারুণ গোলে সমতায় ব্রাজিলযুদ্ধ বন্ধে আজ চুক্তিতে সই করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, কী থাকছে এতেছাত্রশিবির কর্তৃক সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলশরণার্থীশিবির থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে: অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলে আফ্রিকান রূপকথাপেনাল্টি থেকে গোলে এগিয়ে সুইজারল্যান্ডভারত আর বাংলাদেশের আকাশ, মাটি এক না; এটা ১৯৪৭ সালে ফয়সালা হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলামফজরের নামাজ চলাকালে খুলনার মসজিদে গুলি, আহত ২জয়ের সমান ড্র, বিশ্বকাপে প্রথম পয়েন্ট কাতারেরভিনিসিয়ুসের দারুণ গোলে সমতায় ব্রাজিলযুদ্ধ বন্ধে আজ চুক্তিতে সই করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, কী থাকছে এতেছাত্রশিবির কর্তৃক সংঘটিত অপরাধের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিলশরণার্থীশিবির থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে: অস্ট্রেলিয়ার ফুটবলে আফ্রিকান রূপকথাপেনাল্টি থেকে গোলে এগিয়ে সুইজারল্যান্ডভারত আর বাংলাদেশের আকাশ, মাটি এক না; এটা ১৯৪৭ সালে ফয়সালা হয়ে গেছে: নাহিদ ইসলাম
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

বাসস্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ।

প্রকাশিত: ৭ মে, ২০২৬
বাসস্ট্যান্ড দখল নিয়ে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ।

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে এলাকায় চার থেকে পাঁচটি হাতবোমার বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।


স্থানীয় সূত্র জানায়, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতার অনুসারীদের সঙ্গে স্থানীয় বিএনপি নেতা রিফাত মোল্লার গ্রুপের বিরোধ থেকেই এ সংঘর্ষের সূত্রপাত। ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।


আহতদের মধ্যে রয়েছেন আবদুল মালেক গাজী, শাহীন মিয়া, সাজ্জাদ হোসেন ও মাহমুদ হাসান। আহত শাহীন মিয়াকে পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁকে কেরানীগঞ্জের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া সাজ্জাদ হোসেনের চোখে গুরুতর আঘাত লেগেছে।


আহত আবদুল মালেক গাজী অভিযোগ করেন, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড বর্তমানে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক নেতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, “৫ আগস্টের পর থেকে বাসস্ট্যান্ডটি তাঁদের দখলে। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় যাঁরা সক্রিয় ছিলেন, তাঁদের নিয়েই এখন সেখানে চাঁদাবাজি করা হচ্ছে।”


অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গ বাস কাউন্টারের ম্যানেজার বিশাল হোসেন দাবি করেন, রিফাত মোল্লার অনুসারীরা প্রতিদিন বাসস্ট্যান্ডে এসে যাত্রীদের হয়রানি করে। এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাকে আগেই অবহিত করা হয়েছিল। তাঁর ভাষ্য, বুধবার বিকেলে বাস কাউন্টারের কর্মচারীরা রিফাত মোল্লার লোকজনকে ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।


ঘটনার পর তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ড পরিদর্শনে যান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি ও স্থানীয় সংসদ সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী। তিনি অভিযোগ করেন, রিফাত মোল্লার নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তাঁর দাবি, “রিফাত মোল্লা বিএনপির কেউ নয়।” তিনি আরও বলেন, এলাকায় চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কোনো স্থান হবে না এবং পুলিশকে দ্রুত মামলা নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রিফাত মোল্লাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিফাত মোল্লা। তিনি বলেন, তাঁর লোকজনের ওপর হামলা করেছে “চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা”। থানায় অভিযোগ দিতে গেলে তাঁর ওপরও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করেন তিনি। এ ঘটনার পেছনে ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের এক প্রভাবশালী নেতার সম্পৃক্ততা রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন রিফাত। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, নিপুণ রায় চৌধুরী পুলিশকে প্রভাবিত করছেন।


রিফাত মোল্লা আরও বলেন, তাঁর বাবা লুৎফর রহমান মোল্লা তেঘরিয়া ইউনিয়নের একাধিকবার চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। “বিএনপির রাজনীতি করতে গিয়ে একাধিক মামলায় জেলও খেটেছি। এখন বলা হচ্ছে আমি বিএনপির কেউ নই,” বলেন তিনি।


দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, তেঘরিয়া বাসস্ট্যান্ডকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বুধবার বিকেলে এক পক্ষ রিফাত মোল্লার অনুসারীদের ওপর হামলা চালায়। পরে রিফাত মোল্লা থানায় অভিযোগ করতে এলে সেখানেও তাঁকে লক্ষ্য করে হামলার ঘটনা ঘটে।