সর্বশেষ
“আপনাদের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না”: বিএনপিকে ইসহাক।এনসিপিতে যোগ দিলেন যুবদলের ইসহাক, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কাফি ও ঢাবির মহিউদ্দিন রনি।জুমার নামাজ পড়িয়ে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ইমামের মৃত্যু।“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলা“আপনাদের পতন ঘটাতে বেশি সময় লাগবে না”: বিএনপিকে ইসহাক।এনসিপিতে যোগ দিলেন যুবদলের ইসহাক, কন্টেন্ট ক্রিয়েটর কাফি ও ঢাবির মহিউদ্দিন রনি।জুমার নামাজ পড়িয়ে যাওয়ার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ইমামের মৃত্যু।“তোমার বাবা-মা যেখানে থাকে, সেখানেও ছাত্রদল আছে”: আম্মারকে ছাত্রদল সভাপতি।চাঁদা না দেওয়ায় স্কুলে শিক্ষিকাকে জুতো পেটা করলেন বিএনপি নেতা।ধামরাইয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীকে ঘরে ঢুকে কুপিয়ে হত্যা।২ দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬ জন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগ ছাত্রদলের বিরুদ্ধে।শাহবাগে ডাকসু নেতা এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিকের ওপর হামলা
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

ইউএপি শিক্ষিকা লায়েকা বশিরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় অবমাননা ও শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ

প্রকাশিত: ১১ জানুয়ারি, ২০২৬
ইউএপি শিক্ষিকা লায়েকা বশিরের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় অবমাননা ও শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ

ঢাকা, ১১ জানুয়ারি ২০২৬: ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক (ইউএপি)-এর বেসিক সাইন্স বিভাগের শিক্ষিকা লায়েকা বশিরের বিরুদ্ধে মুসলিম শিক্ষার্থীদের প্রতি বহুবছর ধরে হেনস্থা, ধর্মীয় অবমাননা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। প্রধানত পর্দানশীল নারী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে তার আচরণের কারণে বিভিন্ন বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ জানিয়েছেন। 0

গত ১১ ডিসেম্বর ২০২৫-এ লায়েকা বশির তার ফেসবুক পোস্টে ইসলামের পর্দা বিধানকে “অপরাধের মাত্রা বাড়ানোর” সাথে যুক্ত করে লিখেছেন, “সারা মুখ মমি বানিয়ে রাখতে বলা হয়নি।” মোহাম্মাদপুরে একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অপরাধী বোরকা পরে পালিয়ে যাওয়ার উল্লেখ করে তিনি মুখ ঢেকে পর্দা করার বিরোধিতা করেন, যা সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করে এবং তার দীর্ঘদিনের ধর্মবিদ্বেষী আচরণের অভিযোগগুলো সামনে আনে। 0

শিক্ষার্থীদের সাক্ষ্য ও অভিযোগসমূহ

ইউএপির ফার্মাসি বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী মুহাম্মাদ মারূফ হোসাইন (ব্যাচ-৫০) তার ২০২১ সালের সমাজবিজ্ঞান ক্লাসের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে জানান যে, লায়েকা বশির ক্লাসে ইসলামী সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করতেন, ঈদুল আযহার কুরবানিকে “উল্লাসে পশু হত্যা” বলে সম্বোধন করতেন এবং প্রতিবাদকারীদের মার্ক কম দিয়ে শাস্তি দিতেন। অনলাইন ক্লাসে তিনি তিনজন মুসলিম নারী শিক্ষার্থীকে রেকর্ডিং চালু রেখে মুখ দেখানোর জন্য জোর করেন, যা ধর্মীয় স্বাধীনতার লঙ্ঘন। এই ঘটনার ভিডিও প্রমাণও পাওয়া গেছে। 0

অন্যান্য অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • নিকাব খোলার জোর: সিএসই বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে প্রথম দিনেই নিকাব খুলতে বাধ্য করা হয়।
  • প্রকাশ্য অপমান: ইংরেজি বিভাগের ফাহমিদা আখতারকে ক্লাসে “ভূত” বলে অপমান করা হয়।
  • বৈষম্যমূলক আচরণ: জিন্নাত আরা ফেরদৌসের মতো শিক্ষার্থীরা নিকাব পরার কারণে বিদ্রুপের শিকার হন, যা তাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে।
  • নামাজে বাধা: ক্লাসের সময় নামাজে যেতে চাইলে রাগ দেখানো এবং ক্লাসে না আসার হুমকি দেওয়া।
  • ধর্মীয় সংস্কৃতিতে হস্তক্ষেপ: “আলহামদুলিল্লাহ” বলায় কটু কথা শোনানো।
  • অ্যাকাডেমিক বৈষম্য: প্রতিবাদকারীদের গ্রেড কম দেওয়া, যেমন সিএসই ব্যাচ-২১-এর শিক্ষার্থীদের B, C, D গ্রেড দেওয়া, যখন পরিচিতদের A+ দেওয়া।
  • অন্যান্য: ক্লাসে ট্রান্সজেন্ডার সমর্থন এবং ইসলাম নিয়ে উল্টোপাল্টা মন্তব্য। 0 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিক্রিয়া

শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে ইউএপি কর্তৃপক্ষ একটি গুগল ফর্ম পাঠিয়ে অভিযোগ সংগ্রহ করে, যার সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত ছিল। কিন্তু এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সূত্রমতে, লায়েকা বশিরকে কয়েক মাসের জন্য সাসপেন্ড করে পুনরায় বহাল করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের সংবিধানের ধর্মীয় স্বাধীনতা (অনুচ্ছেদ-৪১), সাইবার সুরক্ষা আইন এবং পেনাল কোডের লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন। 0

পটভূমি ও অন্যান্য তথ্য

লায়েকা বশিরের সিভিতে রেফারেন্স হিসেবে সামিনা লুৎফার নাম উল্লেখ রয়েছে, যিনি ওড়না পরা নিয়ে অপমানজনক মন্তব্য এবং হেফাজতে ইসলামের ঘটনায় সমর্থনের জন্য পরিচিত। একই বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্য শিক্ষককে শুধুমাত্র একটি ছবির জন্য শোকজ করা হয়েছে, কিন্তু লায়েকার বিরুদ্ধে কোনো কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। 0

এই ঘটনা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় সহনশীলতা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্কের প্রশ্ন তুলেছে। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি।