রাউজানে হিন্দু বসতবাড়িতে আগুনের ঘটনায় ২ হিন্দু সহ ৭ আওয়ামীলীগ জড়িত।

চট্টগ্রামের রাউজানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বসতঘরে বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলাটিতে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল সাত।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবিব পলাশ গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ কবির হোসেন, কার্তিক দে, বিপ্লব বড়ুয়া, মোহাম্মদ লোকমান ও মোহাম্মদ পারভেজ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে চারটি উসকানিমূলক ব্যানার, কেরোসিন তেলের দুটি কন্টেইনার, একটি কেরোসিন তেলের বোতল, তিনটি খালি প্লাস্টিকের বস্তা, একটি মোবাইল ফোন, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ বলেন, এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া মনির হোসেনের দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাই একটি ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের’ সক্রিয় নেতা-কর্মী হলেও সরাসরি কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ করেননি।
গত ২ জানুয়ারি রাঙামাটির লংগদু এলাকা থেকে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জেলা পুলিশের তৎকালীন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া থানা এলাকায় গভীর রাতে একাধিক বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। প্রতিটি ঘটনাস্থল থেকে বিশেষ ধরনের উসকানিমূলক ব্যানার উদ্ধার করা হয়, যা ‘অ্যাংকর’ ব্র্যান্ডের মোটর তেল ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে তৈরি ছিল। ব্যানারগুলোতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টে উসকানিমূলক বক্তব্য, বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ও একাধিক মোবাইল নম্বর লেখা ছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মনির হোসেনের বিরুদ্ধে রাঙামাটির লংগদু ও চট্টগ্রামের রাউজান থানায় চুরি ও মাদকসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি চুরি মামলায় তিনি ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার পশ্চিম সুলতানপুর শীলপাড়ায় সনাতন সম্প্রদায়ের দুটি বাড়ির বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন লাগানো হয়। পরিবারের সদস্যরা বাঁশ ও টিনের বেড়া কেটে প্রাণে রক্ষা পান। ঘটনার পরদিন সকালে পোড়া দুই বাড়ির প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি ব্যানার পাওয়া যায়, যেখানে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে দায়ী করা হয়।
এ ঘটনায় ২৫ ডিসেম্বর জড়িতদের শনাক্তে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ। একই দিন ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
চট্টগ্রামের রাউজানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বসতঘরে বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন দেওয়ার ঘটনায় আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে মামলাটিতে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়াল সাত।
মঙ্গলবার দুপুরে চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবিব পলাশ গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেন।
গ্রেপ্তাররা হলেন মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মোহাম্মদ কবির হোসেন, কার্তিক দে, বিপ্লব বড়ুয়া, মোহাম্মদ লোকমান ও মোহাম্মদ পারভেজ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারদের কাছ থেকে চারটি উসকানিমূলক ব্যানার, কেরোসিন তেলের দুটি কন্টেইনার, একটি কেরোসিন তেলের বোতল, তিনটি খালি প্লাস্টিকের বস্তা, একটি মোবাইল ফোন, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ বলেন, এর আগে গ্রেপ্তার হওয়া মনির হোসেনের দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাই একটি ‘নিষিদ্ধ সংগঠনের’ সক্রিয় নেতা-কর্মী হলেও সরাসরি কোনো সংগঠনের নাম উল্লেখ করেননি।
গত ২ জানুয়ারি রাঙামাটির লংগদু এলাকা থেকে মনির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জেলা পুলিশের তৎকালীন বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সম্প্রতি চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়া থানা এলাকায় গভীর রাতে একাধিক বসতঘরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। প্রতিটি ঘটনাস্থল থেকে বিশেষ ধরনের উসকানিমূলক ব্যানার উদ্ধার করা হয়, যা ‘অ্যাংকর’ ব্র্যান্ডের মোটর তেল ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের প্লাস্টিকের বস্তা দিয়ে তৈরি ছিল। ব্যানারগুলোতে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টে উসকানিমূলক বক্তব্য, বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ও একাধিক মোবাইল নম্বর লেখা ছিল।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মনির হোসেনের বিরুদ্ধে রাঙামাটির লংগদু ও চট্টগ্রামের রাউজান থানায় চুরি ও মাদকসহ মোট চারটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে একটি চুরি মামলায় তিনি ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত বছরের ২২ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার পশ্চিম সুলতানপুর শীলপাড়ায় সনাতন সম্প্রদায়ের দুটি বাড়ির বাইরে থেকে দরজা আটকে আগুন লাগানো হয়। পরিবারের সদস্যরা বাঁশ ও টিনের বেড়া কেটে প্রাণে রক্ষা পান। ঘটনার পরদিন সকালে পোড়া দুই বাড়ির প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি ব্যানার পাওয়া যায়, যেখানে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলকে দায়ী করা হয়।
এ ঘটনায় ২৫ ডিসেম্বর জড়িতদের শনাক্তে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ। একই দিন ক্ষতিগ্রস্ত দুই পরিবারকে এক লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।