সর্বশেষ
জামেয়া নুরিয়া টঙ্গীর দাওরায়ে হাদিসের সকল ছাত্র একযোগে বহিষ্কার।ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।তেল নিয়ে সরকারের তেলেসমাতি: দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার।হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী দুই সরকারের উদাসীনতা ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ : প্রধানমন্ত্রী।বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীযুবলীগ নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা।নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।জামেয়া নুরিয়া টঙ্গীর দাওরায়ে হাদিসের সকল ছাত্র একযোগে বহিষ্কার।ফরিদপুরে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের।তেল নিয়ে সরকারের তেলেসমাতি: দেশে উৎপাদিত অকটেন নিচ্ছে না সরকার।হামের টিকা নিয়ে পূর্ববর্তী দুই সরকারের উদাসীনতা ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ : প্রধানমন্ত্রী।বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যে গরুর মাংস খাওয়া বন্ধ করা হবে: পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রীযুবলীগ নেতার পুকুরে বিষ প্রয়োগে ৩০ লাখ টাকার মাছ নিধন করলো দুর্বৃত্তরা।নীলফামারীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে গিয়ে আটক পুলিশ।সিরাজগঞ্জে থানায় হামলা ও ভাঙ্গচুর ছাত্রদলের।
Live Bangla Logo

কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপি নেতা রিমান্ডে।

প্রকাশিত: ৬ এপ্রিল, ২০২৬
কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপি নেতা রিমান্ডে।

কেরানীগঞ্জে গ্যাসলাইটার তৈরির একটি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া বিএনপি নেতা ইমান উল্লাহ মাস্তানের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।


সোমবার (৬ এপ্রিল) ঢাকা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। মামলার তদন্তের স্বার্থে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশ তার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল।


পুলিশ জানিয়েছে, ইমান উল্লাহ মাস্তান দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা বিএনপির সদস্য। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে রিমান্ড আবেদন করলে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।


অন্যদিকে, নিহত ছয়জনের মধ্যে তিনজনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। শনিবার রাতে পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে স্বজনরা মরদেহ শনাক্ত করেন।


শনাক্ত ব্যক্তিরা হলেন মঞ্জু বেগম (৩৬), শাহীনুর বেগম (৩৫) ও মীম আক্তার (১৬)। স্বজনদের ভাষ্য, ব্যক্তিগত ব্যবহারের জিনিসপত্র—বিশেষ করে চাবির গুচ্ছ ও চুলের ক্লিপ দেখে তাদের শনাক্ত করা হয়।


নিহত মঞ্জু বেগম পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাসিন্দা, তিনি কারখানার পাশেই বসবাস করতেন। তার ছেলে সাব্বির হোসেন বলেন, মায়ের হাতে থাকা চাবির গুচ্ছ দেখে তিনি মরদেহ শনাক্ত করেছেন এবং এ ঘটনায় বিচার দাবি করেন।


শাহীনুর বেগমের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায়। তার বাবা আজিজ কাজী জানান, চুলের খোঁপার ক্লিপ দেখে মেয়েকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।


নিহত মীম আক্তারের বাড়ি বরিশালের মুলাদী উপজেলায়। তার স্বামী বর্তমানে কারাগারে থাকায় তাদের তিন বছরের সন্তানটি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।


নিহতদের স্বজনদের অভিযোগ, অগ্নিকাণ্ডের সময় কারখানার প্রধান ফটক বন্ধ থাকায় শ্রমিকরা বের হতে পারেননি। তাদের দাবি, এটি নিছক দুর্ঘটনা নয়; বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তারা।


দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।