সর্বশেষ
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান।বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ ছাত্রদল নেতা আটক।যুক্তরাজ্যে হামলার আশঙ্কা তীব্র, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশসিটির চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল আর্সেনাল।“যাকাতের চাইতে চাঁদাবাজি ভালো” বক্ত‍ব‍্যের প্রতিবাদ জানালো জামায়াতে ইসলামী।সিলেটে শহর, মহাসড়ক ও রেল উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও পরিকল্পনার ঘোষণা।বিরোধীদলীয় নেতার জাপান সফর শুরু আজমধ‍্যপ্রাচ‍্যে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র।যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান।বিপুল পরিমাণ ইয়াবা সহ ছাত্রদল নেতা আটক।যুক্তরাজ্যে হামলার আশঙ্কা তীব্র, মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক থাকার নির্দেশসিটির চেয়ে ৬ পয়েন্টে এগিয়ে গেল আর্সেনাল।“যাকাতের চাইতে চাঁদাবাজি ভালো” বক্ত‍ব‍্যের প্রতিবাদ জানালো জামায়াতে ইসলামী।সিলেটে শহর, মহাসড়ক ও রেল উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন ও পরিকল্পনার ঘোষণা।বিরোধীদলীয় নেতার জাপান সফর শুরু আজমধ‍্যপ্রাচ‍্যে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান।

প্রকাশিত: ৩ মে, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিয়েছে ইরান।


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা নিরসনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। দেশটি যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র-এর কাছে ১৪ দফার একটি শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা শনিবার রাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।



প্রতিবেদনে বলা হয়, কেবল সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং চলমান সংকটের স্থায়ী সমাধানই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে দাবি করেছে তেহরান।



এর আগে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাস সময় চেয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়। তবে ইরান সেই প্রস্তাব নাকচ করে জানায়, সব সমস্যার সমাধান ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে।

  • ইরানের প্রস্তাবিত ১৪ দফা পরিকল্পনায় বেশ কয়েকটি কঠোর শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগভবিষ্যতে কোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা
  • ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সব মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার
  • ইরানের ওপর আরোপিত নৌ-অবরোধ ও সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার
  • বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ ফেরত দেওয়া


লেবাননসহ বিভিন্ন রণাঙ্গনে চলমান যুদ্ধের সম্পূর্ণ অবসাবিশ্লেষকদের মতে, এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে আঞ্চলিক উত্তেজনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে। তবে শর্তগুলোর কঠোরতা এবং সময়সীমা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা কতটা সম্ভব হবে, তা নিয়ে সংশয়ও রয়েছে।

্য হলো—