সর্বশেষ
জনগণের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে পুলিশকে: প্রধানমন্ত্রীতামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অভিনেতা বিজয় থালাপতি।গাজীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ৩, গরু চুরির অভিযোগমাদক ব‍্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে জমায়েতের ৪ নেতা আটক।আবারও ভেঙে গেছে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন্নাহারের সংসার।আওয়ামিলীগ সংশ্লিষ্টতায় পুলিশ সপ্তাহে পুলিশ পদক প্রদান স্থগিত।সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্র নীতির কারণেই ভারত বারবার সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে: জামায়াত।মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় জেল খাটা ইমামকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি এনসিপির।জনগণের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে পুলিশকে: প্রধানমন্ত্রীতামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন অভিনেতা বিজয় থালাপতি।গাজীপুরে গণপিটুনিতে নিহত ৩, গরু চুরির অভিযোগমাদক ব‍্যবসায়ীকে ছাড়াতে গিয়ে জমায়েতের ৪ নেতা আটক।আবারও ভেঙে গেছে আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান ও তার স্ত্রী সাবিকুন্নাহারের সংসার।আওয়ামিলীগ সংশ্লিষ্টতায় পুলিশ সপ্তাহে পুলিশ পদক প্রদান স্থগিত।সরকারের দুর্বল পররাষ্ট্র নীতির কারণেই ভারত বারবার সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে: জামায়াত।মিথ্যা ধর্ষণ মামলায় জেল খাটা ইমামকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি এনসিপির।
Live Bangla Logo
নিউজ
পড়া হচ্ছে...

জনগণের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে পুলিশকে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১০ মে, ২০২৬
জনগণের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করতে হবে পুলিশকে: প্রধানমন্ত্রী



জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশকে সাধ্য ও সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের মানুষ বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকারের কাছে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রত্যাশা করে।


রোববার সকালে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক প্যারেড অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় ধরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে ছাত্রজনতার রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতন্ত্রকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে জনগণের রায়ে গঠিত বর্তমান সরকারের মাধ্যমে।”


তিনি বলেন, “বছরের পর বছর হামলা-মামলা ও নির্যাতনের শিকার অধিকারবঞ্চিত মানুষ এখন শান্তি এবং নিরাপত্তা চায়। সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।”


পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে সরকারপ্রধান বলেন, “আপনারা জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাধ্য এবং সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবেন। এটিই আপনাদের কাছে সরকারের প্রত্যাশা।”


পুলিশকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার না করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই বাংলাদেশে আর কোনো ফ্যাসিবাদ বা স্বৈরাচার যেন পুলিশ সদস্যদের দেশ ও জনগণের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে না পারে।”


তিনি আরও বলেন, “স্বাধীনতার প্রথম প্রহরেই পুলিশের রক্তে রঞ্জিত এই মাটিতে দাঁড়িয়ে আসুন, আমরা আবারও নতুন শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ হই।”


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই নির্বাচন প্রমাণ করেছে, বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন সম্ভব।”


তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের অবদানের কথাও তুলে ধরেন। বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ পেশাদারিত্ব, সাহসিকতা ও মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।


নারী পুলিশ সদস্যদের ভূমিকাও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “শুধু বিদেশেই নয়, দেশের জনগণের সঙ্গেও পুলিশের মানবিক আচরণ প্রত্যাশিত।”


বক্তব্যের শুরুতে ১৯৭১ সালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে পাকবাহিনীর হামলায় শহীদ পুলিশ সদস্যদের স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “শুধু স্মরণ করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদ পুলিশ সদস্যদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের পবিত্র দায়িত্ব।”


তিনি আরও বলেন, “একদিকে চট্টগ্রামে মেজর জিয়ার ‘উই রিভোল্ট’, অন্যদিকে ঢাকায় রাজারবাগ পুলিশের মরণপণ প্রতিরোধ— এর পর স্বাধীনতাকামী মানুষের পিছিয়ে থাকার আর কোনো সুযোগ ছিল না।”